8 people got jobs at Nepalipara Hindi High School in Durgapur:-দুর্গাপুরের নেপালিপাড়া হিন্দি হাইস্কুলে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় স্থানীয় সমাজে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল বাতিল হওয়ায় এই স্কুলের আটজন শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি চলে গেছে। এই আটজনের মধ্যে সাতজন শিক্ষিকা এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক ডক্টর কলিমুল হক এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “স্কুলে মোট ৩৩ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। তাদের মধ্যে আটজনের চাকরি চলে গেলে স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”
নেপালিপাড়া হিন্দি হাইস্কুলে বর্তমানে প্রায় ৪২০০ ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করছে। এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। প্রধান শিক্ষক আরও জানান, “এই পরিস্থিতিতে আমরা কীভাবে পাঠদান চালিয়ে যাব, তা সত্যিই চিন্তার বিষয়।”
এই ঘটনার পেছনে রয়েছে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয় এবং সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই রায়ের স্থগিতাদেশ দিলেও, অনেক শিক্ষকের চাকরি ইতিমধ্যে বাতিল হয়েছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। একজন অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা চিন্তিত। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকলে তাদের শিক্ষা কীভাবে সম্পন্ন হবে?” শিক্ষার্থীরাও এই পরিস্থিতিতে হতাশ। দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্র জানায়, “পরীক্ষা সামনে, কিন্তু আমাদের প্রিয় শিক্ষকদের হারাতে হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য বড় ধাক্কা।”
স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসন এই সংকট মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ নেবে, তা সময়ই বলবে। তবে এই ঘটনা স্থানীয় সমাজে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয়তা আরও einmal স্পষ্ট করেছে।